ঈদুল আজহা ২০২২ কত তারিখে – কোরবানির ঈদ কত তারিখে 2022

ঈদুল আজহা ২০২২ কত তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। তা বিস্তারিত আেোচনা করা হবে। ঈদুল আজহা মুসলমানদের একটি ধর্মীয় উৎসব। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে ঈদুল আজহা কে ধর্মীয় উৎসব হিসেবে মুসলমানগণ পালন করে আসছেন। ঈদ প্রতিটি মুসলমানের জীবনে নতুন এক আনন্দ বয়ে আনে। এই ঈদে সামর্থ্যবান মুসলমানগণ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবাই করে থাকেন এবং জবাইকৃত পশুর মাংস প্রতিবেশী ও দরিদ্রের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে পূণ্য অর্জন করেন। যেহেতু ঈদুল আজহা মুসলমানদের ধর্মীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মুসলমানগণ নানামুখী আয়োজন করে থাকেন। তাই ঈদুল আজহার তারিখ জানা থাকাটা আমাদের জন্য আবশ্যকীয়।

ঈদুল আজহা ২০২২ এর তারিখ এবং ঈদের নামাজ আদায় করার পদ্ধতি জানতে সাথে থাকুন।

ঈদুল আজহা ২০২২
ঈদুল আজহা ২০২২

ঈদুল আজহা ২০২২ কত তারিখে

বাংলাদেশ চাঁদ দেখা কমিটি প্রতি বছর ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করে থাকে। যেহেতু ঈদুল আজহা জিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার উপর নির্ভরশীল। তাই বাংলাদেশ চাঁদ দেখা কমিটি থেকে এব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এ বছর মধ্য পাচ্যের দেশগুলোতে ৯ই জুলাই রোজ সোমবার ঈদুল আজহার শুরু হবে। সে হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ১০ই জিলহজ্জ মোতাবেক ১০ জুলাই রোজ মঙ্গলবার শুরু হবে। বলে রাখা ভালো, ঈদুল আজহার তারিখ জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল।

ঈদুল আজহার নামাজের নিয়ম

ঈদুল আজহার নামাজ ২ রাকাত। যা আদায় করা ওয়াজিব এবং জামাত ব্যতীত এটি আদায় করা যায় না। ঈদুল আজহার নামাজ অন্যান্য নামাজের চেয়ে একটু আলাদা। কেননা, ঈদুল আজহার নামাজে অতিরিক্ত ৬টি তাকবীর রয়েছে।

প্রথম রাকাত:

কিবলামুখী হয়ে ঈদুল আজহার ২ রাকাত নামাজ ইমামের পেছনে আদায় করছি বলে নিয়ত বাঁধতে হয়। প্রথমেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত বাঁধবেন।
এরপর ইমাম ও মুক্তাদী উভয়েই ছানা পড়বে। ছানা হল:
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তাআলা ঝাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুক।
এরপর ইমামের সাথে সাথে মুসল্লিগণও উচ্চস্বরে তাকবীর বলবেন। ছানা পরবর্তী প্রথম ও দ্বিতীয় তারবীরে উভয় হাত কান বরাবর উঠিয়ে ছেড়ে দিবেন। তৃতীয় তাকবীরের সময় উভয় হাত কান বরাবর উঠিয়ে না ছেড়ে উভয় হাত নাভির নিচে বাঁধবেন। এরপর ইমাম সাহেব অন্যান্য নামাজের মত রুকু-সেজদা করে প্রথম রাকাত শেষ করবেন।

দ্বিতীয় রাকাত:

ইমাম সাহেব প্রথমে সুরা ফাতিহা এবং তার সাথে অন্য সূরা পাঠ করবেন। এরপর রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত ৩টি তাকবীর দিবেন। প্রতিটি তাকবীরে উভয় হাত কান বরাবর উঠিয়ে ছেড়ে দিবেন। এরপর ৪র্থ তাকবীর বলে রুকুতে চলে যাবেন। এরপর অন্যান্য নামাজের মতই বাকি নামাজ শেষ করবেন।


আরো পড়ুন: যোহরের নামাজ কয় রাকাত ও কিভাবে পড়তে হয়

আরো পড়ুন: সূরা ইউসুফ: আয়াত ২৮ এর উচ্চারণ, অনুবাদ ও সংশ্লিষ্ট ঘটনা

ইসলামী সমাধান খুঁজে পেতে ভিজিট করুন আলকাউসার.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published.